'কি করছো দিহান, আমি আর বাঁচবো না, পাগলামি কোরো না দিহান' - আনুশকাহ

 'কি করছো দিহান, আমি আর বাঁচবো না, পাগলামি কোরো না দিহান' - আনুশকাহ. বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকার কলাবাগানের দলফিন গলি এলাকায় ধানমন্ডির মাস্টারমাইন্ড ইস্কুলের এক শিক্ষার্থীর উপর অভিযোগ পাওয়া গেছে। তার বয়ফ্রেন্ড ফারদিন ইফতেখার ও 3 সহপাঠী বিরুদ্ধে। তারা বৃহস্পতিবার রাজধানীর কলাবাগান এলাকায় ও লেভেলের এক শিক্ষার্থীকে এলোপাতাড়ি ধর্ষণকালে নিম্নাঙ্গ ফেটে গিয়ে রক্তক্ষরণ হয়ে মেয়েটি মারা যায়।

ki korco dihan plz caro amay





মেয়েটির পুরো নাম আনুশকাহ নুরআমিন, মেয়েটি ইংলিশ মিডিয়ামের ও লেভেলের ছাত্রী ছিল। নিহত শিক্ষার্থীর (আনুশকাহ) বোনজামাই শরিফ বলেন, সে (আনুশকাহ) সম্পর্কে আমার চাচতো শালিকা। এবছর মাস্টারমাইন্ড স্কুল থেকে ও লেভেল পরীক্ষা দেওয়ার কথা ছিল কিন্তু  বৃহস্পতিবার দুপুর তিনটার দিকে কলাবাগানের দলফিন গলি তে কোচিং করতে গেলে। এ সময় তার ঘনিষ্ট এক বান্ধবীর মিথ্যা প্রলোভন দেখিয়ে একটি বাসায় নিয়ে যায়। যখন আনুশকাহ প্রচন্ড রক্তপাত শুরু হয়. তখন অভিযুক্ত ফারদিন ইফতেখার ইনান তাকে ধানমন্ডি আনোয়ার খান মর্ডান হাসপাতাল নিয়ে যায় এন্ড পরবর্তীতে বিকেল পাঁচটায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায়। মরদেহ বর্তমানে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে এবং এ বিষয়ে আমরা মামলা করেছি।


তিনি আরো বলেন, নিহত শিক্ষার্থীর মার দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের একটি চাকরি করেন এবং মেয়েটির বাবা একজন ব্যবসায়ী। তিন ভাইবোনের মধ্যে সে ছিল একদম  বড় এবং ধানমন্ডির 32 নম্বরে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে থাকতেন। নিহত শিক্ষার্থীরা মা জানান, আমার মেয়েকে বাসা থেকে ডেকে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল এবং ও আমাকে যখন ফোন করে জানিয়েছিল তখন আমি অফিসে ছিলাম। কিন্তু আমাকে জানায়, মা আমি ক্লাসের ওয়ার্কশিট আনতে যাচ্ছি, এই বলে চলে গেছে। দুপুর একটার পর একটা ছেলে মুঠোফোন থেকে ফোন দিয়ে জানায় আমার মেয়ে অজ্ঞান হয়ে পড়ে আছে. ওকে হাসপাতালে নিয়ে এসেছি আপনারা তাড়াতাড়ি চলে আসেন এবং যখন আমরা হাঁটতে চলে যাই গিয়ে দেখি আমার মেয়ের নিথর দেহ পরে আছে মেঝেতে।


ডঃ সোহেল মাহমুদ একথা বলেছেন, “স্কুলছাত্রীর শরীরের কোথাও আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি কিন্তু দুঃখের বিষয় যৌনাঙ্গ ও পায়ুপথে ক্ষত চিহ্ন পাওয়া গেছে। শরীরে বিকৃত যৌনাচারের কারণে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ হওয়ায় তার মৃত্যু হয়েছে।”


 হাসপাতাল থেকে তৎক্ষণাৎ দিহানকে গ্রেপ্তার করে কলাবাগান থানা পুলিশ। শুক্রবার  মামলায় ‘দিহান তার নিজের মুখের দোষ স্বীকার করে’  তিনি ঢাকার মহানগর হাকিম আদালতে জবানবন্দি দিয়েছেন। মেয়েটির বাবার দায়ের করা মামলায় বলা হয়েছে, তার মেয়েকে কলাবাগান ডলফিন গলির নিরিবিলি এবং ফাকা বাসায় ডেকে নিয়ে ধর্ষণ করেন দিহান। প্রচুর রক্তক্ষরণের কারণে যখন আমার মেয়ে অচেতন হয়ে পড়লে বিষয়টি ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করার জন্য আসামি নিজেই তাকে আনোয়ার খান মডার্ন হাসপাতালে নিয়ে যান।


কিন্তু আমি একদম শিওর ওকে হাসপাতালে আনা হয়েছে মৃত। কলাবাগান থানার ইন্সপেক্টর থাকুরদাস বলেন, ওই ছাত্রী রাজধানীর ধানমন্ডিতে বৃহস্পতিবার বেলা বারোটার দিকে তার বন্ধুর সঙ্গে দেখা করার কথা বলে বাসা থেকে বের হন. কলাবাগানে দিহানের বাসায় যান. ওই ছাত্রী তখন একদম ফাঁকা ছিল. সেখানে ওই ছাত্রী শিকার হওয়ার পর অসুস্থ হয়ে পড়লেন। দিহান তার তিন বন্ধুকে ফোন করে ডেকে আনে। অসুস্থ চিকিৎসার জন্য মর্ডান আনোয়ার খান হাসপাতালে নিয়ে যায়।

সুত্র - ইন্ডিপেন্ডেন্ট নিউজ

Post a Comment

Previous Post Next Post

Facebook

Recent